Saturday, 21 May 2016
ছবি তোলার জন্য শাস্তি
কিছ দিন আগে ভারতের এক ক্রাইম রিপোর্টের ভিডিও ফুটেজে দেখে ছিলাম, একটি মেয়ে আত্মহত্যার জন্য ট্রেনের অপেক্ষয়ছিল| কাছে থেকে একজন তার আত্মহত্যার ছবি ও ভিডিও করতে ব্যস্ত ছিল,ইতিমধ্যে ট্রেন এসে মেয়েটির পা ও মাথায় আঘাত হেনে চলে যায় !
অতি উতসাহী এই ভিডিও ধারণকারী ভিডিও না রেকর্ড করে মেয়েটির প্রাণ বাঁচাতে পারতো এই অপরাধে ভারতের উচ্চ আদালত ঐ ব্যক্তিকে ১০ বছরের সাজা দিয়ে ছিল |
গত কাল বাংলাদেশের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানূর আঘাত হানার সময় তোলা হৃদয়ে নাড়া দেওয়া এই ছবিটি বিবেকের কাছে সত্যিই অপরাধী করল |
জানিনা, ছবিতে বাঁচার জন্য আহাজারী করা এই মেয়েটি উদ্ধার হয়েছিল কি না? কিন্তু,যে ব্যক্তি মেয়েটাকে উদ্ধার না করে ক্যামেরা বন্দীতে ব্যস্ত ছিল সে সত্যিই বিবেকের আয়নায় অপরাধী ই রয়ে গেল |
ছবি:অনলাই থেকে
Wednesday, 11 May 2016
কৃষ্ণা ব্যনার্জী নৌ মুসলীম নারীর কথা
হ্যালো-টুডে ডটকম, ডেস্ক: আমেনা বেগম (৩৫)। বাবা-মার দেয়া নাম ছিল কৃষ্ণা ব্যানর্জি। সনাতন ধর্মবলম্বী ব্রাহ্মন হিসেবেই বেড়ে উঠেছেন মানিকগঞ্জের এক পাড়াগাঁয়। ১৯৮৯ সালে তার বয়স ছিল ১১ বছর। তখন তার মৃত দাদীকে চিতায় পোঁড়ানোর দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে ঘর ছাড়েন। এক মুসলমান বান্ধবীর ঘরে উঠে গ্রহণ করেন ইসলাম। তখনও বুঝতেন না ইসলাম গ্রহণের আসল তাৎপর্য কী। অনেকটা না বুঝেই শুধুমাত্র নিজ ধর্মের সৎকার রীতির ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতেই ইসলামের দিকে ধাবিত হন তিনি। পৈত্রিক সম্পত্তি, আত্মীয়-স্বজন সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে আসেন। আলাপকালে বললেন, আর পেছনে ফিরে তাকাতে পারবো না। এরপর ওই বান্ধবীর পরিবারের সহায়তায় চলে যান ঢাকার কামরাঙ্গীরচর মহিলা মাদ্রাসায়। মাদ্রাসার হুজুরাইনদের পাশে থেকে নওমুসলিম আমেনা বেগম কুরআনের হাফেজ হন। হুজুরদের মধ্যস্থতায়ই বিয়ে হয় অপর এক মাদ্রাসার থেকে পাশ করা নোয়াখালি সন্দ্বীপের হাফেজ বদিউল আলমের সঙ্গে। ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সুখের সংসার ছিল তাদের। সংসারে অভাব ছিল শুধুই সন্তানের। নিসঃন্তান এই দম্পতির সুখের সংসারে হঠাৎ ভাঙন আসে স্বামীর মৃত্যুতে। ২০০৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় স্বামী বদিউল আলমের। বিধবা নওমুসলিম আবারও একা হয়ে পড়েন। কোথায় থাকবেন, কার কাছে যাবেন এ নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। এমতাবস্থায় ঢাকা বাইতুল মোকাররম এলাকায় তার সঙ্গে পরিচয় হয় গুলশানের অভিযাত এলাকার এক ধনাঢ্য বৃদ্ধার সঙ্গে। তার বাসার পারিচারিকা হিসেবে নিযুক্ত হন আমেনা বেগম। প্রায় সাড়ে তিন বছর ওই বৃদ্ধাকে আপন মায়ের মতোন সেবা শশ্রুষা করেন। দেড় বছর হলো তিনিও ইনতেকাল করেন। বৃদ্ধার ইনতেকালের পর তার সন্তানেরা এই স্বজনহারা হাফেজা নওমুসলিমের আর খোঁজ নেননি।
অবলম্বনহীন এই পর্দানশীন হাফেজা নারী তাবলীগ জামায়াতের এক মুরব্বির সহায়তায় চলে যান সাভারের রাজ ফুলবাড়িয়া এলাকায়। সেখানে এক বাড়ির শিশুদের কুরআন শেখানো ও গৃহস্থলির কাজের বিনিময় আশ্রয় মেলে তার। সেখানেই আছেন তিনি। প্রায় দুই যুগ আগে সেচ্ছায় ধর্মান্তরিত মুসলিম আমেনা বেগম বলেন, কারও সঙ্গে প্রেম করে মুসলমান হইনি। আল্লাহই আমাকে মুসলমান বানিয়েছেন। আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে ছেড়ে এসেছি আমি। ২৪ বছর ধরে মুসলমান সমাজেই কেটেছে আমার জীবন। এখন এটাই আমরা সব। ২০১১ সালে নওমুসলিমদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্প থেকে সোয়া দুই কাঠা জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তার নামে। সাভারের রাজ ফুলবাড়িয়ার পানপাড়া এলাকায় ওই জমিনটুকু অনাবাদি ভাবে পড়ে আছে। অর্থাভাবে সেখানে একখানা ঘর বানিয়ে বসবাসের ব্যবস্থা করতে পারেননি। আমেনা বলেন, বাসায় বাসায় প্রাইভেট পড়িয়ে আমি জীবীকা নির্বহ করছি। অন্যের বাসায় থাকি। অনাত্মীয় কারও বাসায় থেকে পর্দা পালন করা কষ্টকর হচ্ছে। অথচ মুসলমান হওয়ার পর থেকে আমি কখনও পর্দা লঙ্ঘন করিনি। তার একটি ছবি তুলতে চাইলে তিনি বললেন আপনার সামনে মুখ খুলতে পারবো না। ছবি তোলাকে গোনাহের কাজ বলেই বিশ্বাস করেন তিনি। অপরের অধীনে মানবেতর জীবন থেকে মুক্ত হয়ে আত্মনিভরশীল হতে চান তিনি। বলেন, একটু সহযোগিতা পেলে আমি ওই জমিতে ছোট একটি ঘর তুলতে চাই। সেখানেই গড়ে তুলতে চান আপন ভুবন। থাকতে চান নিরাপদে, নিজ আবাসে। আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে তার হিসাব নম্বরটি তিনি জানিয়েছেন। একাউন্ট নম্বর: ০৮১১১২০০২১০৮৫ (কেরানীগঞ্জ শাখায়)। এ ব্যাপারে কারওয়ান বাজার জামেয়া আম্বরশাহ আল ইসলামিয়ার প্রধান মুফতি হাফেজ মাওলানা খাইরুল্লাহ বলেন, নওমুসলিমকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা সকল মুসলমানদের দায়িত্ব। যাকাতেও তাদের অধিকার নির্ধারিত রয়েছে ইসলামী শরিয়াতে। সাড়ে ৫২ তোলা রূপা বা সমমূল্যের অব্যবহার্য গচ্ছিত সম্পদ যদি তার না থাকে তাহলে যাকাতের খাত থেকে তাকে সকলে মিলে সহায়তা করা উচিত। যাকাত ছাড়াও তাকে সহযোগিতা করা যেতে পারে।
সংগ্রহ:- Hello-Today
Tuesday, 10 May 2016
ইসলামিক গল্প
দুই ফেরেস্তার দেখা হল, আঁকাশ থেকে
পৃথিবিতে নামার সময়| দুজনই খুব দ্রুত পৃথিবিতে
অবতরণ করছিল,
১ম ফেরেস্তা ২য় ফেরেস্তাকে প্রশ্ন
করলেন, তুমি এত দ্রুত কোথায় যাচ্ছ?
জবাবে ২য় ফেরেস্তা বললেন,এক ব্যাক্তি মৃত্যু
শয্যায় শায়িত,তার খুব ইচ্ছা জয়তুনের তেল খাবে|
আমার উপর নির্দেশ হয়েছে,আমি যেন ঐ ব্যাক্তি
জয়তুনের তেল মুখে দেবার আগেই ফেলে
দেই| কেননা লোকটি ছিল ঈমানদার,এই সামান্য আঁশাটি
পূরণ না করে আল্লাহ তাকে জান্নাত দিতে চান|
এবার ২য় ফেরেস্তা, ১ম ফেরেস্তাকে
বললেন,আপনিও এত দ্রুত কোথায় যাচ্ছেন?
১ম ফেরেস্তা জবাবে বললেন, এক ব্যাক্তি
মরণের বিছানায় শায়িত,আমার উপর নির্দেশ
হয়েছে,ঐ ব্যাক্তিটির শেষ ইচ্ছা রুই মাছ খাওয়ার,আমি
যেন তার আত্নীয় হয়ে উনাকে রুইমাছ খাওয়াই।
কেননা, ঐ ব্যাক্তি বেঈমানতথা শিরককারী, ঐ
ব্যাক্তিটির এই ইচ্ছা পূরণ হলে, তার দুনিয়ার সব চাওয়াই
পূরণ হবে| আর এর মাধ্যমে আল্লাহতাকে চিরতরে
জাহান্নামী করতে চান >
সুতরাং কখনও যদি আমাদের কোন চাওয়া পাওয়া পূরণ না
হয়,তার জন্য আমরা যেন নিরাশ না হই| কোন চাওয়া
পূরণ না হলেও,এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রেখেছেন|"
Monday, 9 May 2016
যোগাযোগ
যোগাযোগ করার কি দরকার?
নিন নাম্বার:-01756919257
নিন নাম্বার:-01756919257
তাসনীফ প্রিন্ট মিডিয়া
সিটি সুপার মার্কেট সিলেট
সিটি সুপার মার্কেট সিলেট
Sunday, 8 May 2016
tsu কি?? কেন? সত্যিই কি ইনকাম করা যায়
TUS কি, কেন? কিভবে? TUS দিয়ে কি আসলেই আয় করা সম্ভব? চারিদিকে এখন শুধু এই Tsu শব্দটার ছড়াছড়ি। প্রতিদিনই পোস্ট এসে, আমাকে রিকোয়েস্ট পাঠায় জয়েন করার জন্য অথচ আমি জয়েন করেছি মাত্র কয়দিন আগে। শুধু ভালো লাগা থেকে, টাকা ইনকাম হবে কি হবে না সেটা নিয়ে চিন্তা নাই। এই Tsu নিয়ে কত লেখালেখি,কত প্রশ্ন, কত তর্ক- বিতর্ক। প্রতিদিন পরিচিত জনদের কাছ থেকে ফোন কল পাই, সবাই জিজ্ঞাসা করে আসলেই কি এই সাইট থেকে ইনকাম করা যায়?
আমার ভাই একটাই উত্তর----
আমরা facebook, twitter, google+, linkedin, VK, ইত্যাদি কি টাকার জন্য চালাই ? তাহলে এখানে টাকা দিলে দিব, না দিলে না দিব এত কথা বলে লাভ কি ? ভাল লাগলে চালাবো, ভাল না লাগলে চালাবো না। আর চালাতে গিয়ে যদি সত্যিই কিছু ইনকাম করা যায়, তাহলে মন্দ কি? এটা একটা সামাজিক যোগাযোগ সাইট তাই টাকা না দিলেও আমরা এটা চালাতে পারি।
পরিচিত জনদের কাছ থেকে পাওয়া Tsu সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
► Tsu কি?
Facebook এর মত সামাজিক যোগাযোগ সাইট যেখানে ফেসবুকে যা করছেন তার সব কিছুই করা যায়। তবে এখানে অতিরিক্ত সুবিধা হচ্ছে এখান থেকে আয় করা যায়। আসলে কতটা সত্য আমি জানি না কারন এখনো আমি ইনকাম করি না। তবে আমার অ্যাকাউন্টে ১ ডলার ১০ সেন্ট যোগ হয়েছে।
► TUS দিয়ে কি আসলেই আয় করা যায়?
এখান থেকে আয় করা যেতে পারে, তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এটি কনো ফ্রীলেন্সিং সাইট নয়, এটিকে শুধু মাত্র একটি সোশ্যাল সাইট হিসাবে বিবেচনা করতে হবে এবং কনো ভবেই এটিকে আয়ের মাধ্যম হিসাবে নিবেন না বরং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক হিসাবে ব্যাবহার করুন এবং বিনিময়ে কিছু এক্সট্রা ইনকাম করুন। ফেসবুক যেখানে তার আয়ের সম্পুর্নটাই নিজে ভোগ করে tsu তার আয়ের ৯০% ব্যাবহারকারীদের মধ্যে বন্টন করে দেয়।
► TSU তে কিভবে জয়েন কবেন?
একাউন্ট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কারো রেফারেলে অথবা কারো ইনভাইটেশন এর মাধমে জয়েন করতে হবে! রেজিস্ট্রেশন লিংক http://tsu.co/jakwan2016এখানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারবেন।
►TUS থেকে ইনকাম করতে চাইলে যা যা করতে হবে ?
-- একের অধিক আইডি না করা ভালো।
-- রেফারেল দিয়ে অন্য বন্ধুকে TSU তে জয়েন করাবেন!
-- বন্ধু বানানোর চেষ্টা করবেন
-- প্রতিদিন পোস্ট দিন
-- আপনার বন্ধুদের পোস্ট শেয়ার দিন
-- আপনার বন্ধুদের পোস্টে কমেন্ট করুন এবং লাইক দিন
-- নিজের পোস্টে অন্যকে কমেন্ট এবং শেয়ার দিতে বলুন।
যারা এখনোও অ্যাকাউন্ট করেন নি, যদি ভালো লাগে অ্যাকাউন্ট করে চালাতে পারেন এই সামাজিক যোগাযোগ সাইটি। টাকা ইনকাম করবেন এই গ্যরান্টি দিব না, যদি ইনকাম করতে পারেন সেটা " Extra Income " রেজিষ্টেশন লিংক
Saturday, 7 May 2016
কয়েকটি গল্প
#মেঠো ইঁদুর ও শহুরে ইঁদুর#
একবার এক গণ্যমান্য শহুরে ইঁদুর এল এক সাধারণ মেঠো ইঁদুরের কাছে। মেঠো ইঁদুর বাস করত এক মাঠে। সে তার অতিথিকে খেতে দিল যা তার ছিল-- মটর ও গমের দানা।
গণ্যমান্য ইঁদুর একটু খুঁটে খেয়ে বলল, “তোমার খাবার এতই অপুষ্টিকর বলেই তুমি এমন রোগা। এসো, আমার কাছে, দেখো কীভাবে আমরা থাকি।”
তখন মেঠো ইঁদুর চলল শহুরে ইঁদুরের কাছে। রাতের জন্য তারা মেঝের নিচে অপেক্ষা করল। লোকেরা এসে খেয়ে চলে গেল। তখন শহুরে ইঁদুর তার অতিথিকে খাবার ঘরে নিয়ে চলল এক গর্ত দিয়ে। তারা দুজনেই চড়ে বসল টেবিলের উপর। সাধারণ মেঠো ইঁদুর জীবনে কখনও এমন ভালো খাবার চোখেও দেখেনি।
সে বলল, “তুমি ঠিক বলেছ, আমাদের জীবন খুবই খারাপ। আমিও শহরে বাস করতে চলে আসব।”
একথা বলতে না বলতেই টেবিল কেঁপে উঠল। আর দরজা দিয়ে মোমবাতি হাতে নিয়ে ইঁদুর ধরতে লোক ঢুকল ঘরে। তারা কোনোক্রমে গর্তে ঢুকে নিজেদের বাঁচাতে পেরেছিল।
“না!” বলল মেঠো ইঁদুর, “এর চেয়ে আমার মাঠে বাস ঢের ভালো। সেখানে এমন মিষ্টি খাবার নেই ঠিকই, তবে এমন ভয়ের কোনো কারণও নেই।”
#সাগর, নদী ও ছোটনদী#
একজন লোক আরেকজনের সঙ্গে তর্ক করে বলল, সে প্রচুর পান করতে পারে।
সে বলল, “আমি পুরো সাগরটাই পান করে ফেলতে পারি।”
“কিছুতেই তুমি তা পার না।”
“নিশ্চয়ই পারি। এসো, বাজি ধরা যাক। এক হাজার রুবল বাজিতে আমি পুরো সাগর পান করতে পারি।”
পরদিন সকালে সবাই মিলে সেই লোকটির কাছে এসে হাজির।
“কী হে! যাও সমুদ্র পান কর অথবা এক হাজার রুবল দাও।”
সে বলল, “আমি বলেছিলাম সমুদ্র পান করব, কিন্তু নদীকেও পান করব এমন কথা তো আমি বলিনি। নদী ও ছোট নদীতে বাঁধ দাও, যাতে এর জল সমুদ্রে না পড়ে। তবেই আমি সমুদ্রকে পান করব।”
#ঈগল ও শেয়াল#
এক ঈগল এক শেয়ালছানা ধরে নিয়ে চলল। শেয়াল মা গভীর দুঃখে অনেক কাকুতিমিনতি করল।
কিন্তু ঈগল তা শুনল না। সে ভাবল, “অনেক উঁচুতে পাইন গাছে আমার বাসা। শেয়াল আমার কী আর ক্ষতি করতে পারবে? সে আমার নাগালই পাবে না।”
এই ভেবে ছানাটিকে নিয়ে চলল। শেয়াল মা দৌড়ে গেল মাঠে, লোকের কাছ থেকে আগুন নিয়ে পাইন গাছে বয়ে আনল। সে সবে গাছে আগুন লাগাতে যাচ্ছে। এমন সময় ঈগল ক্ষমা চেয়ে তাকে তার বাচ্চা ফেরত দিল।
#বেড়াল ও শেয়াল#
এক বেড়াল শেয়ালকে বলছিল কীভাবে কুকুরদের কাছ থেকে আত্মরক্ষা করা যায়।
“আমি কুকুরদের মোটেই ভয় পাই না।” বলল বেড়াল, “কেননা আমার একটা কৌশল জানা আছে।”
আর শেয়াল বলল, “মাত্র একটা কৌশলের সাহায্যে কীভাবে তুমি কুকুরদের হাত এড়াও? আমার জানা আছে এমন সাতাত্তরটি কৌশল।”
যখন তারা কথাবার্তা বলছিল সেই সময় একদল শিকারি তাদের কুকুর নিয়ে সেই পথে যাচ্ছিল। বেড়াল তার জানা একটিমাত্র উপায়ই ব্যবহার করল। সে একটি গাছে চড়ে বসল আর কুকুরেরা তার নাগাল পেল না। আর শেয়াল তার জানা সবগুলো উপায়কেই কাজে লাগাতে চেষ্টা করল কিন্তু কোনোটাই তার কাজে এল না এবং কুকুরেরা তাকে ধরে ফেলল।
বাঁদর ও শেয়াল
একদিন জন্তুরা সকলে মিলে বাঁদরকে তাদের নেতা নির্বাচন করল।
শেয়াল বাঁদরের কাছে এসে বলল, “তুমি এখন আমাদের প্রধান, আমি তোমার সেবা করতে চাই। এই বনের মধ্যে এক জায়গায় আমি গুপ্তধনের সন্ধান পেয়েছি, চল আমি তোমাকে দেখাব।”
বাঁদর খুব খুশি হয়ে শেয়ালের সঙ্গে চলল। শেয়াল বাঁদরকে এক ফাঁদের কাছে এনে বলল, “এই সেই জায়গা। তুলে নাও সব, তোমার আগে আমি কিছু নিতে চাই না।”
বাঁদর যেই না ঐ ফাঁদে তার থাবা ঢুকিয়েছে অমনি সে ধরা পড়ে গেল। তখন শেয়াল ছুটে অন্য জন্তুদের কাছে গেল এবং বাঁদরকে দেখিয়ে বলল, “দেখো তোমরা, এমন নেতা নির্বাচন করেছ যে কিনা ফাঁদে ধরা পড়ে এমনই তার বুদ্ধি।”
Subscribe to:
Comments (Atom)



